Thursday, September 3, 2020

ফাইভারে গিগ তৈরি করার ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজ অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

 


ফাইভারে গিগ তৈরি করার ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজ অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গিগ ইমেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি আকর্ষণীয় গিগ ইমেজ আপনাকে বায়ার বা ক্লায়েন্ট পেতে অনেক সহযোগিতা করবে।

তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা আসলে কতটা গুরুত্ব বহন করে। তাই আপনার গিগ তৈরির ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজের প্রতি আলাদা নজর দিতে হবে। আপনি নিজে যখন রিসার্চের জন্য অন্য কারো গিগ দেখেন, তখন কি দেখে একটি গিগে প্রবেশ করেন? নিশ্চয়ই টাইটেল এবং ইমেজ। ঠিক একইভাবে একজন বায়ার বা ক্লায়েন্ট আপনার গিগ ইমেজ দেখে আকর্ষিত হয়ে গিগে প্রবেশ করবে। আর ভাগ্য ভালো থাকলে অর্ডারও পেয়ে যেতে পারেন।
ফাইভারে গিগ ইমেজে তৈরির ক্ষেত্রে যা যা করবেন
গিগ ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে আপনাকে অন্তত ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলতে হবে।
১. Quality:
গিগের ফিচার ইমেজের জন্য আপনি যে ইমেজটি পছন্দ বা তৈরি করবেন তার কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো হতে হবে। অর্থাৎ কোন রকম pixelated image use করা যাবে না। অনেককেই দেখা যায় গিগের ইমেজ কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর রাখে না। এতে করে বায়ার আপনার সার্ভিসের ব্যপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারে। তাই সতর্কতার সাথে ইমেজের ভালো কোয়ালিটি বজায় রাখুন।
২. Copyright:
কপিরাইট ইমেজ অর্থাৎ Stock Image ব্যবহার করবেন না। ফাইভার Terms & Conditions এ Copyright এর ব্যাপারটি খুব কঠোরভাবে বলা আছে। সুতরাং এমনকি Copyright Image ব্যবহারের ফলে আপনার গিগ র‍্যাঙ্ক তো করবেই না, বরং একাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
৩. Clickbait:
ইমেজের মাঝে কোন ক্লিক সিম্বল বা আইকন ব্যবহারকে Clickbait বলা হয়। এই ধরেনের কোন Clickbait Symble ব্যবহার করা যাবে না।
৪. Badges:
সেলারদের সেল অনুযায়ী ফাইবার আপনাকে ব্যাজ দেবে। কিন্তু আপনি ফাইভারে কত নম্বর সেলার এটা ব্যাজ হিসেবে গিগ ইমেজে ব্যবহার করা যাবে না। আপনি ফাইভারে কোন পজিশনে রয়েছেন এটা বায়ার আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবে। তাই গিগ ইমেজে এই ধরনের ব্যাজ কখনই ব্যবহার করা উচিত না।
৫. অতিরিক্ত লেখা পরিহার করুন:
অনেককেই দেখা যায় ইমেজের মাঝে অনেক বেশি পরিমাণে টেক্সট ব্যবহার করেন। ফলে বায়ার কনফিউসড হয়ে যায় অনেক সময়। তাছাড়া এতে করে গিগের ইম্প্রেশন ভালো হয় না। সর্বদা চেষ্টা করবেন গিগ ইমেজ যতটুকু ক্লিন রাখা যায়। অর্থাৎ খুবই অল্প কথায় আপনার পারপোস ক্লায়েন্টকে বোঝানো।
৬. কম কনটেন্ট ব্যবহার করুন:
গিগ ইমেজে অতিরিক্ত কনটেন্ট ব্যবহারের অভ্যাস পরিহার করুন। যেমন ধরুন, আপনি আপনার বায়ারকে লোগো ডিজাইনের সার্ভিসটি দিকে চান। সেক্ষেত্রে গিগ ইমেজে ইউনিক একটি লোগো ব্যবহার করুন। কখনোই একটি ইমেজে ৪-৫ টি লোগো যুক্ত করে হিজিবিজি করে ফেলবেন না। মূল কথা, যতটুকু জায়গা খালি রেখে মিনিমাল ইমেজ তৈরি করা যায় ততই ভালো।
৭. ইমেজের সাইজ ঠিক রাখুন:
গিগের ফিচার ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক Proportions অনুসরণ করুন। ইমেজের অনুপাত ঠিক রাখতে 550 Pixels by 370 Pixels রেশিও মেইন্টেইন করে গিগ ইমেজ তৈরি করুন। এই মাপের ইমেজ তৈরি করলে তা আপনার গিগে সুন্দরভাবে মানানসই এবং ফিট হবে।
৮. একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না:
আপনার যদি একাধিক গিগ থাকে তাহলে একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি গিগের জন্য ইউনিক ফিচার ইমেজ ডিজাইন করার চেষ্টার করুন এবং আপার সার্ভিসকে আলাদাভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।
৯. নিজের সত্যিকারের চেহারা দেখান:
ইমেজে নিজের ছবি দেয়াটা বাধ্যতামূলক কোন শর্ত নয়। কিন্তু আপনি যদি নিজের ছবি আপনার গিগের ফিচার ইমেজে যুক্ত করতে চান, তাহলে রিয়েল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রফেশনাল মানের ইমেজ ব্যবহার করুন।
১০. অপ্রাঙ্গিক ইমেজ ব্যবহার করবেন না:
আপনার সার্ভিসের সাথে যায় সর্বদা এমন ইমেজ ব্যবহার করুন। ধরুন, আপনি দিচ্ছেন Digital Marketing এর সার্ভিস, কিন্তু ইমেজে ব্যবহার করেছেন লোগোর আইকন। এর ফলে বায়ার আপনার সার্ভিস নিয়ে সন্দেহ পোষণ করবে। সুতারং এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
সবশেষে কিছু বোনাস
সবকিছু ঠিক রেখে ইমেজ তৈরি তো করলেন। এখন আপনার প্রয়োজন হতে পারে Image SEO করার। Image SEO করলে গিগটি Buyer Friendly হবে। যখন বায়ার তার কোন সার্ভিস ক্রয়ের জন্য সার্চ বক্সে ফ্রিল্যান্সার খুঁজবে, তখন হতে পারে ওই পেইজে আপনার গিগটি থাকতে পারে। কাজ পেতে হলে কোন সুযোগই হাত ছাড়া করা যাবে না। আর তাই আপনার ইমেজের ভেতরেও অদৃশ্য কিছু Keyword ইনপুট করতে হবে। আর এটাই হচ্ছে Image SEO।
কিভাবে করবো Image SEO?
ইমেজের সাইজ (550 Pixels by 370 Pixels) ঠিক রেখে আপনার ফিচার ইমেজটি তৈরি করুন। এরপর ফটোশপের Menu বার থেকে File > File info তে ক্লিক করুন। তারপর একটি ডায়ালগ Box আসবে। সেখানে আপনার ইমেজের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বক্সগুলো পূরণ করে সেভ করুন। ব্যস, হয়ে গেল Image SEO এর কাজ। এখন থেকে আপনার ওই ইমেজ অনলাইনের যেখানেই শেয়ার হোক না কেন, তাতে আপনার অথরিটি বা কপিরাইট থাকবে।
সবশেষে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চাইলে অবশ্যই ধৈর্য ধরে স্টেপ বাই স্টেপ আপনাকে সামনে আগাতে হবে। জীবনে সফল হওয়ার কোন শর্টকাট নেই। তাই পরিশ্রম করুন। সফলতা আসবেই।

Wednesday, September 2, 2020

এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং

 এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং ৩০ দিনের জন্য ফ্রিতে ভিডিও গুলো দেখে অনেককিছু শিখতে পারবেন।

তাই সবাই এনরোল করে রাখেন আর সারাজীবন ব্যবহার কিংবা ভিডিও গুলো কিভাবে কালেক্ট করবেন সেটা আপনারাই ব্যবস্থা করেন।

https://www.udemy.com/…/affiliate-marketing-with-seo-amaz…/…






Friday, August 28, 2020

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ৩১ টি অনলাইন টুল

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ৩১ টি অনলাইন টুল


1. নেম তৈরি করতে সাইট যে দরকার - http://thenameapp.com/
2. দরকারি কিছু বিষয়ে - http://startupstash.com/
3. স্লাইড শেয়ার - http://www.slideshare.net
4. ছবি কম্প্রেস করার - https://tinypng.com/
5. ছবি কম্প্রেস করার - http://www.jpegmini.com/
6. ইমেজ কনভার্টার - http://www.xnview.com/en/xnconvert/
7. ছবি কম্প্রেস করার –https://compressor.io/compress
8. ছবি কম্প্রেস করার –https://kraken.io/web-interface
9. ছবি কম্প্রেস করার - http://optimizilla.com/
10. ভিডিও তৈরির জন্যে - https://showbox.com/
11. ভিডিও তৈরির জন্যে -http://www.videoscribe.co/buy
12. ভিডিও তৈরি জন্যে -https://www.magisto.com/
13. ভিডিও তৈরি জন্যে -https://studio.stupeflix.com/en/
14. WHITE BLACBOARD ANIMATION -https://www.rawshorts.com/wizard
15. ডিজাইন করার জন্যে - https://www.canva.com/
16. ডিজাইন করার জন্য - https://gospaces.com/tools/logo-maker
17. সার্ভে - https://www.surveymonkey.com/mp/take-a-tour/…
18. মেইল সেন্ড - http://mailchimp.com
19. মেইল সেন্ড - http://www.aweber.com/
20. মেইল সেন্ড - https://getresponse.com/
21. মার্কেটিং টুল Hubspot
22. কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল Ahrefs
23. কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল Semrush
24. অ্যানালিটিকস Google Analytics
25. এসইও টুল Yoast
26. কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট টুল Trello
27. গুগল বিজ্ঞাপনে Google AdWords
28. কনটেন্ট রিসার্চ BuzzSumo
29. কিওয়ার্ড আইডিয়া Answerthepublic
30. কিওয়ার্ড রিসার্চ টুল Keywords Everywhere
31. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুল Hootsuite

Thursday, August 27, 2020

আমরা যদি খাঁটি বাঙালি বা বাংলাদেশী হই, আমেরিকানদের খাঁটি আমেরিকান হ’তে অসুবিধে কোথায়?

 গতবার আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন এক প্রবাসী বাংলাদেশী আড্ডায় ছিলাম। প্রায় বিশ পঁচিশজন বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন সে আড্ডায়। আমরা দু’একজন বাদে প্রায় সবাই একবাক্যে বলেছিলেন, ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন বিরাট ব্যবধানে জিতে যাবেন। রিপাবলিক্যান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্র্যাম্পের না জেতার কারণগুলো জানতে চাইলে সব্বাই একবাক্যে যা বলেছিলেন, তার সারসংক্ষেপ এ রকম; ডোনাল্ড ট্র্যাম্প অভিবাসনের বিপক্ষে; [...]



বাংলাদেশে মুচি সম্প্রদায় একটি অবহেলিত দলিত শ্রেণী। এরা আমাদের খুবই পরিচিত কিন্ত এদের সম্পর্কে আমাদের ধারণা খুবই সংকীর্ণ। এরা সমাজের এমনই একটি অস্পৃশ্য অংশ যে আমাদের শরীরে এদের স্পর্শ সয়না। এরা যে গ্লাসে পানি পান করে যে কাপে  চুমুক লাগায় যে প্লেটে  ভাত খায় সেসবে আমরা মুখ লাগাতে পারিনা আমাদের রুচিতে বাঁধে।এরা আমাদের পাশে থেকেও অনেক দূরলোকের বাসিন্দা। মুচিদের আবাসগুলিও নির্মিত হয় আমাদের আবাসের সাথে দূরত্ব রেখে। এদের সংখ্যা অতি নগন্য। মুচিদেরকে সংখ্যালঘু বললেও মনে হয় লঘুত্বকে হালকা করা হয়। আমরা তথাকথিত সভ্যজনরা বিপুল বিপুলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই দিনে দিনে আমরা সংখ্যায় আরও বেশি গরিষ্ঠ হই। আমাদের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী আবাসগুলি যখন এদের আবাসকে ছুঁয়ে ফেলে বা ছুঁয়ে ফেলার উপক্রম হয় তখন এদেরকে আরও দূরে সরে যেতে হয়। হুমকি দিয়ে গরিষ্ঠতার দাপট দেখিয়ে অর্থের প্রলোভন দিয়ে সরে যেতে বাধ্য করা হয়।সভ্য সমাজের মাঝখানে এই নোংরা মুচি সম্প্রদায় বসবাস করতে পারেনা। এ যেন চর্যা আমলের ডোম বা ডুম্বির মত। “নগর বাহিরিরে ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ,ছোই ছোই জাহ সো বাম্মনাড়িয়া’ চর্যা কবির রচনায় তবু ডোম্বিকে নিয়ে মানবিক অনুভূতির দেখা মেলে কিন্তু আমাদের নাগরিক সাহিত্যে মুচি সম্প্রদায় আজও অপাংক্তেয়। মুচিকে নিয়ে উন্নত সাহিত্য রচিত হয়না। গল্প সিনেমার নায়ক সেতো কল্পনারও অতীত। তবে গ্রামবাংলায় মুখরোচক অনেক গল্পে অনেক সময় অনেক মুচির কথা উঠে আসে। আমার বর্তমান রচনার বিষয় তেমনি এক মুচির গল্প। ঘটনাটি হয়তো শত বছর আগের তবে চল্লিশ পঞ্চাশ বছর আগেও সেই গল্প প্রচুর শুনা যেত।ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির মুখে ভিন্ন ভিন্ন রঙ্গের আবেসে। ভাববেন না এটি কোনো বীর রসোপখ্যান। মুলত একজন মুচির কাপুরষতার গল্প এটি। গল্পের সেই মুচির নাম ছিল চিরায়তন,লোকমুখে তা হয় চিরাতন,চিরাতন মুচি। যেভাবে গল্পটি শুনেছি তাতে মনে হয় বৃটিশ আমলের শেষে বা পাকিস্তান আমলের গোড়ার দিকের ঘটনা এটি এবং অনুমিত হয় চিরায়তন হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ সদরের আশপাশের কোনো গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। অবশ্য অন্য জায়গারও হতে পারে। এসব গল্প লোকমুখে প্রচারিত হতে হতে সর্বত্রই একটা স্থানীয় আবহ ধারণ করে। দেখি চোরে কী করে’ এমন একটি গল্প আবার সর্বত্র প্রচলিত আছে। সে যাই হোক আলোচ্য গল্পটি নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির নামে প্রচলিত এবং তার বিষয়বস্তুও স্বতন্ত্র। রাতের আঁধারে এক দুর্বৃত্ত চিরায়তনের ঘরে ঢুকে তার অনুঢ়া মেয়েকে ধর্ষণ করে।তার চোখের সামনেই ঘটে ঘটনাটি। একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় থানার দারোগার সামনে চিরায়তন যে জবানবন্দি দেন তাই এক সময় মুখ হতে মুখে ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনাটি যেহেতু ধর্ষণের সুতরাং তাতে মানুষের আগ্রহ বেশি থাকবে তাই স্বাভাবিক। বহু মুখ থেকে শ্রুত এবং বহুরসে সিক্ত জবানবন্দির মার্জিত রূপটি এরকম: