ফাইভারে গিগ তৈরি করার ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজ অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গিগ ইমেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি আকর্ষণীয় গিগ ইমেজ আপনাকে বায়ার বা ক্লায়েন্ট পেতে অনেক সহযোগিতা করবে।
গিগের ফিচার ইমেজের জন্য আপনি যে ইমেজটি পছন্দ বা তৈরি করবেন তার কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো হতে হবে। অর্থাৎ কোন রকম pixelated image use করা যাবে না। অনেককেই দেখা যায় গিগের ইমেজ কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর রাখে না। এতে করে বায়ার আপনার সার্ভিসের ব্যপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারে। তাই সতর্কতার সাথে ইমেজের ভালো কোয়ালিটি বজায় রাখুন।
কপিরাইট ইমেজ অর্থাৎ Stock Image ব্যবহার করবেন না। ফাইভার Terms & Conditions এ Copyright এর ব্যাপারটি খুব কঠোরভাবে বলা আছে। সুতরাং এমনকি Copyright Image ব্যবহারের ফলে আপনার গিগ র্যাঙ্ক তো করবেই না, বরং একাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
ইমেজের মাঝে কোন ক্লিক সিম্বল বা আইকন ব্যবহারকে Clickbait বলা হয়। এই ধরেনের কোন Clickbait Symble ব্যবহার করা যাবে না।
সেলারদের সেল অনুযায়ী ফাইবার আপনাকে ব্যাজ দেবে। কিন্তু আপনি ফাইভারে কত নম্বর সেলার এটা ব্যাজ হিসেবে গিগ ইমেজে ব্যবহার করা যাবে না। আপনি ফাইভারে কোন পজিশনে রয়েছেন এটা বায়ার আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবে। তাই গিগ ইমেজে এই ধরনের ব্যাজ কখনই ব্যবহার করা উচিত না।
অনেককেই দেখা যায় ইমেজের মাঝে অনেক বেশি পরিমাণে টেক্সট ব্যবহার করেন। ফলে বায়ার কনফিউসড হয়ে যায় অনেক সময়। তাছাড়া এতে করে গিগের ইম্প্রেশন ভালো হয় না। সর্বদা চেষ্টা করবেন গিগ ইমেজ যতটুকু ক্লিন রাখা যায়। অর্থাৎ খুবই অল্প কথায় আপনার পারপোস ক্লায়েন্টকে বোঝানো।
গিগ ইমেজে অতিরিক্ত কনটেন্ট ব্যবহারের অভ্যাস পরিহার করুন। যেমন ধরুন, আপনি আপনার বায়ারকে লোগো ডিজাইনের সার্ভিসটি দিকে চান। সেক্ষেত্রে গিগ ইমেজে ইউনিক একটি লোগো ব্যবহার করুন। কখনোই একটি ইমেজে ৪-৫ টি লোগো যুক্ত করে হিজিবিজি করে ফেলবেন না। মূল কথা, যতটুকু জায়গা খালি রেখে মিনিমাল ইমেজ তৈরি করা যায় ততই ভালো।
গিগের ফিচার ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক Proportions অনুসরণ করুন। ইমেজের অনুপাত ঠিক রাখতে 550 Pixels by 370 Pixels রেশিও মেইন্টেইন করে গিগ ইমেজ তৈরি করুন। এই মাপের ইমেজ তৈরি করলে তা আপনার গিগে সুন্দরভাবে মানানসই এবং ফিট হবে।
আপনার যদি একাধিক গিগ থাকে তাহলে একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি গিগের জন্য ইউনিক ফিচার ইমেজ ডিজাইন করার চেষ্টার করুন এবং আপার সার্ভিসকে আলাদাভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।
ইমেজে নিজের ছবি দেয়াটা বাধ্যতামূলক কোন শর্ত নয়। কিন্তু আপনি যদি নিজের ছবি আপনার গিগের ফিচার ইমেজে যুক্ত করতে চান, তাহলে রিয়েল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রফেশনাল মানের ইমেজ ব্যবহার করুন।
আপনার সার্ভিসের সাথে যায় সর্বদা এমন ইমেজ ব্যবহার করুন। ধরুন, আপনি দিচ্ছেন Digital Marketing এর সার্ভিস, কিন্তু ইমেজে ব্যবহার করেছেন লোগোর আইকন। এর ফলে বায়ার আপনার সার্ভিস নিয়ে সন্দেহ পোষণ করবে। সুতারং এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
ইমেজের সাইজ (550 Pixels by 370 Pixels) ঠিক রেখে আপনার ফিচার ইমেজটি তৈরি করুন। এরপর ফটোশপের Menu বার থেকে File > File info তে ক্লিক করুন। তারপর একটি ডায়ালগ Box আসবে। সেখানে আপনার ইমেজের প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বক্সগুলো পূরণ করে সেভ করুন। ব্যস, হয়ে গেল Image SEO এর কাজ। এখন থেকে আপনার ওই ইমেজ অনলাইনের যেখানেই শেয়ার হোক না কেন, তাতে আপনার অথরিটি বা কপিরাইট থাকবে।




